মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ০৪:২২ পূর্বাহ্ন
নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
ভোটের দেয়া কথা রাখলেন ঢাকা-১ আসন(দোহার নবাবগঞ্জ)এর নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার আবু আশফাক। তিনি নির্বাচনের আগে নবাবগঞ্জের কৈলাইল ইউনিয়নের ভাঙ্গাভিটা গ্রামে শতভাগ হিন্দু সম্প্রদায়ের বসবাসরত গ্রামে উঠান বৈঠক করেছেন। সেখানে গিয়ে ভোট চেয়ে বলেছিলেন ওই কেন্দ্রে তিনি পাস করলে প্রথম উন্নয়ন কাজ শুরু করবেন দুর্গম ভাঙ্গাভিটা থেকে আজ তিনি সেই ওয়াদা পূরণ করলেন।
ওই গ্রামের ভাঙ্গাভিটা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে মোট ১হাজার ৯শত ২৪ভোটের মধ্যে ১৪০২ জন ভোট দেয়। এর মধ্যে ধানের শীষে খন্দকার আবু আশফাক পান ১৩৭৭ ভোট। সনাতনী সম্প্রদায়ের এ সমর্থনকে তিনি প্রথম বিজয় হিসেবে দেখেন। ওই গ্রামে গিয়ে আজ ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত হন।
সোমবার বেলা ১১ টা থেকেই ভাঙ্গাভিটা গ্রামের সব নারী পুরুষ যেন উৎসবের আমেজে অপেক্ষমান। ওই গ্রামের নাটমন্দির প্রাঙ্গণে তারা ফুল নিয়ে এমপিকে বরণে উপস্থিত হয়। দুপুর ১টার দিকে সেখানে উপস্থিত হয়ে আশফাক সকল মুরুব্বীদের সাথে আলিঙ্গন ও কুশল বিনিময় করেন। এসময় নারী পুরুষ ও শিশুরা তাঁকে কাছে পেয়ে যেন আনন্দে উচ্ছ্বসিত হয়ে পড়ে। তাঁরা আর কখনো এমনভাবে কোনো এমপিকে কাছে পায়নি বলে জানায়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম খন্দকার, বিএনপি নেতা আব্দুর রশিদ, সৈয়দ আহমেদ খান, সমাজ সেবক আব্দুর রউফ মন্টু, দীন ইসলাম, স্কুল শিক্ষক লক্ষণ সিদ্ধা, লিটন দাস, নরেন্দ্র মেম্বার, জীবন মেম্বার, কীর্তন সিদ্ধা প্রমুখ।
এসময় আশফাক বলেন, তিনি নির্বাচনে ওয়াদা করেছিলেন সনাতনী ভাই বোনেরা তাঁকে বেশী ভোটে পাস করালে পুরস্কার দিবেন। সেই ঋণ শোধ করতে আজ এসেছি।
এসময় সংসদ সদস্য আশফাক বলেন, উন্নয়নের প্রথম পুরস্কার হিসেব মন্দিরের জন্য ২লাখ টাকা দেয়া হবে। এছাড়া স্বাধীনতার পর থেকে পিছিয়ে থাকা এ গ্রামবাসীর জন্য কৈলাইল থেকে ভাঙ্গাভিটা হয়ে কামারকান্দা পর্যন্ত রাস্তাটি আগামী এক বছরের মধ্যে পিচঢালাই করে দেয়া হবে।
এসময় তিনি আরো বলেন, উপজেলার দুর্গম এলাকা ভাঙ্গাভিটায় এখনো উপজেলার সাথে যোগাযোগের মাধ্যম নৌকা। ইছামতি নদীতে যাতে কেউ বালু তুলে জীবন বিপন্ন করতে না পারে সে বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। কোনো মাদক সন্ত্রাস বা চাঁদাবাজি ও জমি দখলের মতো ঘৃনিত ঘটনা ঘটালে কাউকেই রেহাই দেয়া হবে না। কৃষকদের জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।